প্রাণেরদেশ রিপোর্ট :  ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) আসন্ন নির্বাচনে ২৮ জন কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।
ডিএসসিসির রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে দাখিলকৃত মনোনয়ন বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) গোপীবাগের ৮ নম্বর ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টারে যাচাই-বাছাইয়ে এগুলো বাতিল করা হয়।

এর মধ্যে সাধারণ ওয়ার্ডের ২৬ জন এবং সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডে দুজনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) যুগ্ম সচিব ও রিটার্নিং অফিসার আবদুল বাতেন এসব তথ্য জানান।

এদিকে ডিএসসিসির মেয়র প্রার্থী হিসেবে যে সাতজন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন যাচাই-বাছাইয়ের পর তাদের সবার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

মেয়র প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পর সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কাউন্সিলর প্রার্থী ও সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব ও রিটার্নিং অফিসার আবদুল বাতেন জানান, দক্ষিণ সিটিতে মেয়র পদে সাতজনই বৈধ। এছাড়া সংরক্ষিত নারী আসনে দুজন এবং সাধারণ ওয়ার্ডের ২৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনে মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য এক হাজার ৩৯ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। সিটি নির্বাচনের এ তিন পদে দুই সিটিতে মনোনয়নপত্র তুলেছিলেন দুই হাজার ২৬০ জন। এর মধ্যে দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ছিলেন ১৪ জন।

মেয়র প্রার্থী হিসবে দক্ষিণে জমা দিয়েছিলেন যারা-

দক্ষিণে মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপস, বিএনপির ইশরাক হোসেন, জাতীয় পার্টির হাজী মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন মিলন, ইসলামী আন্দোলনের মো. আবদুর রহমান, এনপিপির বাহরানে সুলতান বাহার, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. আকতার উজ্জামান ওরফে আয়াতুল্লা ও গণফ্রন্টের আব্দুস সামাদ সুজন।

এছাড়া সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪৬০ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ১০২ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। সব মিলিয়ে এ সিটিতে মনোনয়ন দাখিল করেছেন ৫৬৯ জন।

এদিকে ৫ জানুয়ারির মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল করা যাবে। আপিল কর্তৃপক্ষ হিসেবে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারকে নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন।

ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৯ জানুয়ারি, প্রতীক বরাদ্দ ১০ জানুয়ারি। ভোটগ্রহণ ৩০ জানুয়ারি।

প্রাণেরদেশ ডেস্ক : বাংলাদেশ পুলিশের ৫৯৫ জন সদস্য এ বছর ‘আইজিপিস এক্সেমপ্ল্যারি গুড সার্ভিসেস ব্যাজ’ পাচ্ছেন। ৬টি বিশেষ ক্যাটাগরিতে পুলিশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এ পুরস্কারে ভূষিত করা হচ্ছে।

কর্মক্ষেত্রে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন, বাহিনীর মর্যাদা বেড়েছে এমন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার দেয়া হয়।

আগামী ১০ জানুয়ারি পুলিশ সপ্তাহের শেষদিন মনোনীতদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। পুলিশ সুপার (এসপি) পদমর্যাদা থেকে শুরু করে কনস্টেবল পর্যায়ে মোট ৫৯৫ জন কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্য ‘আইজিপি ব্যাজ’ পাচ্ছেন বলে পুলিশ সদর দফতর সূত্র জানিয়েছে।

এরমধ্যে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে ২০৬ জন, ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ১৩৭ জন, ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ১০৫ জন, ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে ৫২ জন, ‘ই’ ক্যাটাগরিতে ৫১ জন এবং ‘এফ’ ক্যাটাগরিতে ৪৪ জন রয়েছেন।

গতবছর ৫০১ জন, ২০১৮ সালে ৩২৯ জন ও ২০১৭ সালে ২৮৮ জন পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য ‘আইজিপিস এক্সেমপ্ল্যারি গুড সার্ভিস ব্যাজ’ পান। সেবার ‘আইজিপি ব্যাজ’ পদকের পাশাপাশি প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা মূল্যমানের পুরস্কারও দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে পুলিশ সপ্তাহ-২০২০ অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রীর ওইদিন পুলিশের সর্বোচ্চ পদক বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদক (পিপিএম) দেয়ার কথা রয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার : নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা ধর্মগঞ্জে বুড়িগঙ্গা নদীতে এমভি তাসমিনা এক্সপ্রেস বালুবাহী বাল্কহেড ডুবে ৪ শ্রমিক নিখোঁজ।
সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা (ডুবুরি দল) ডুবে যাওয়া বালুবাহী বাল্কহেডের মাষ্টারসহ দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয় এবং ৪ জন শ্রমিককে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস ডুবুরি দল।

জানা গেছে, ০৩ জানুয়ারী ২০২০ শুক্রবার ভোরে নারায়নগঞ্জের ফতুল্লায় ধর্মগঞ্জ খেয়াঘাটস্থ বুড়িগঙ্গা নদীতে বাল্কহেড দিনের আলোতে পরিষ্কার করার উদ্দেশ্য নোঙর করে রাখে।

পরিষ্কার করে সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়ে তখন কোন স্থানে ছিদ্র থাকায় বাল্কহেডের ভিতর পানি প্রবেশ করে এতে বাল্কহেডের মধ্যে থাকা ৬ জনের মধ্যে ৪ জন মারা যায়। বাল্কহেডের মাস্টার সহ দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। ৪ জনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস ডুবুরি দল। নিহত সকলেই বাল্কহেডের শ্রমিক।

নিহতরা হলেন – ঝালকাঠি জেলার নলছিটি থানার কান্দেরপুর এলাকার তৈয়ব আলীর ছেলে বাবু (৩৯),পিরোজপুরের কাউখালীর চাষেরকাঠি এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে মোস্তফা (৫৫),একই জেলার বটবাড়ির ছোট আরজি এলাকার রাশেদ হাওলাদার ছেলে বাবু (১৮) ও বরিশালের বানারীপাড়া থানার ইলুহার এলাকার মহিবুল্লাহ (৬০) এবং আহত হয়েছে বাল্কহেডের মাস্টার আমির হোসেন (৫৪) সহ দুজন।

নিহতদের লাশ উদ্ধার করে কেরানীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়।নিহতদের স্বজনরা আসলে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানা গেছে।

                                                      ‘মাছ চাষে গড়ব দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’

 রবিউল আউয়াল রবি :  এই স্লোগানকে সামনে রেখে সারাদেশে মৎস্য চাষীদের নিয়ে ময়মনসিংহে ট্রেইনিং সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে দেশের ৪০ টি জেলা থেকে প্রায় ৩৫০ জন মৎষ্য চাষী অংশগ্রহন করেন।

দুপুরে নগরীর দিগারকান্দা এলাকায় একটি ট্রেইনিং একাডেমি অডোটোরিয়াম হল রুমে বাংলাদেশ ফিস ফারমার্স এ্যসোসিয়েশনের আয়োজনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ফিস ফারমার্স এ্যসোসিয়েশনের সভাপতি হামিদুল হকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন,
বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তরের সাবেক উপ-পরিচালক ম কবির আহমেদ, বাংলাদেশ আকোয়া প্রোডাক্ট কোম্পানিজ এ্যসোসিয়েশনের সভাপতি ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ তারেক সরকার।

বাংলাদেশ ডেইরী ফার্ম এ্যসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাক শাহ ইমরান, বাংলাদেশ ফিস ফারমার্স এ্যসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি সালাহ উদ্দিন সরকার তপন, সাধরান সম্পাদক আহসানুল আলম জন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রহীম খলিল, কোষাধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

এসময় বক্তারা মৎস্য চাষীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, চাষী ভাইয়েরা দেশের মৎস্য ক্ষেত্রের উন্নয়নে আপনাদের সহায়তা করতে হবে। উন্নত মানের খাদ্য সরবরাহের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদনে তথা দেশের অর্থনৈতিক  উন্নয়নে সহায়তা করবেন।

পর্যাপ্ত খাদ্য সরবরাহের মাধ্যমে মৎস্য চাষীদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ করা ও এবং এ শিল্প বিকাশে সহায়তা করে মাছের প্রয়োজনীয় পুষ্টি চাহিদা  ও গুনগত মান অক্ষুন্ন রেখে খাদ্য সরবরাহ করবেন।

খাদ্য ব্যবস্থাপনার কথা উল্লেখ করে বক্তারা আরও বলেন, মাছ চাষে সফল হতে হলে ভাল মানের সম্পুরক খাদ্য প্রয়োজন। পোনা মাছ মজুদ করে পরবর্তী ব্যবস্থাপনার  অংশ হিসেবে ভাল মানের সম্পুরক খাদ্য প্রয়োগ মাছ উৎপাদনের প্রধান শর্ত।

মাছ চাষে মোট খরচের ৬০ থেকে ৭০ ভাগ হয়ে থাকে খাদ্যের জন্য। জৈব ও অজৈব সার প্রয়োগের পাশাপাশি মাছের দৈহিক ওজন,  সংখ্যা এবং প্রজাতিভেদ প্রয়োজনীয় পুষ্টি উৎপাদন সমৃদ্র খাদ্য সরবরাহ করতে হবে।

স্টাফ রিপোর্টার : আগামী ৩০ জানুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে ৬৪ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের সমর্থন পেয়েছেন আলহাজ্ব মাসুদুর রহমান বাবুল মোল্লা।
তিনি গত নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। এলাকাবাসী তাকে আবারো কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চায়।
ঢাকা ৫ আসনের মাটি ও মানুষের নেতা আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান মোল্লা এমপি’র ছোট ভাই এবং ৭১ এর রণাঙ্গনে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমান অলি’র ভাই ।
এলাকার মুরুব্বী ও যুব সমাজের অহংকার, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজ সেবক বাবুল মোল্লাকে ৩০ জানুয়ারীর ডিএসসিসি’র নির্বাচনে ৬৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করার জন্য এলাকাবাসী কাজ করে যাচ্ছেন।
আল-আমীন রোডের বেশ কয়েকজন মুরুব্বীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ওই ওয়ার্ডে বাবুল মোল্লার বিকল্প নাই। সমাজের যেকোনো সমস্যা সমাধানে তাকে ডাকলে পাওয়া যায়। তিনি তাদের সুখে-দুখে পাশে থাকেন। তিনি তাদের যোগ্য কাউন্সিলর।
মাতুয়াইল আরাবাড়ীর বাসিন্দা সেলিম. জোবায়ের ও আলমসহ কয়েকজন যুবক শিকড় নিউজকে বলেন, আমরা দেখে আসছি ফজরের নামাজ পড়ে প্রতিদিন মাতুয়াইল কবরস্থান গিয়ে জেয়ারত শেষে রাত ১২ টা পর্য়ন্ত তিনি (বাবুল মোল্লা) এলাকায় সামাজিক কর্মকান্ডে সময় দেন।
তিনি একজন ভালো ও ন্যায় বিচারক মানুষ। তারা আরো বলেন, কোনো সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদককারবারি, বেয়াদবকে আমরা ওয়ার্ড কাউন্সিলর দেখতে চাই না।

এলাকা ঘুরে জানা যায়, সদা হাস্যোজ্জ্বল ও আলোকিত মানুষ বাবুল মোল্লা’র সততা ও সফল নেতৃত্বে ঈর্শান্বিত হয়ে স্বার্থন্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে আদা-জল খেয়ে লেগেছে।
তার বিরুদ্ধে নানা অপ্রচার করছে চিহ্নিত কয়েকজন চাঁদাবাজ। এরা সমাজ ও রাস্ট্রের শত্রু। তারা টাকার বিনিময়ে হলুদ সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে হয়রানিমূলক সংবাদে অপ্রচার চালাচ্ছে। বিভিন্ন মাধ্যমে অপকৌশলে প্রার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য না নিয়ে অবৈধ উদ্দেশ্যে হলুদ সাংবাদিকতা করছে।

টিপু সুলতান ও মনির হোসেন নামে দু’জন স্থানীয় সংবাদকর্মী বলেন, এলাকায় ইদানিং বহু অচেনা, ভুয়া সাংবাদিকদের দেখা মিলছে। কয়েকটি জাতীয় দৈনিকের অন্য জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধিদের আনাগোনা বেড়ে যাচ্ছে। এরা সিনিয়র সাংবাদিকদের নাম ভাঙ্গিয়ে গভীর রাত অবধি ডেমরা-যাত্রাবাড়ীর কাউন্সিলর প্রার্থীদের কাছ থেকে অবৈধ সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করছে।এতে সাংবাদিকদের সুনাম নষ্ট হচ্ছে। 
এ বিষয়ে প্রশাসনের নজর দেয়া জরুরী।
 এক প্রশ্নের জবাবে আলহাজ্ব মাসুদুর রহমান বাবুল মোল্লা বলেন, আমি ৬৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে অল্প সময় পেয়েছি। মন-প্রাণ দিয়ে এলাকার উন্নয়নে কাজ করার চেষ্টা করেছি। এলাকার বহু মুরুব্বী ও যুবক সমাজ আমার সাথে থেকে পরামর্শ দিয়ে উন্নয়নে সহযোগীতা করেছেন।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু’র স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র হাতকে শক্তিশালী করতে এবং আধুনিক নগর উন্নয়নে ৬৪ নং ওয়ার্ডের প্রতিনিধি হয়ে আমি আমৃত্যু এলাকাবাসীর খেদমত করতে চাই।
তিনি আরো বলেন, আমাদের তরুণ সমাজ পর্যাপ্ত খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত। খেলাধুলা তেমন সুবিধা নেই। এটা আমাদের করতে হবে। আমি নির্বাচিত হলে এলাকাবাসীকে নিয়ে ৬৪ নং ওয়ার্ডকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত একটি মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলবো, ইনশাল্লাহ।

স্টাফ রিপোর্টার : উচ্চ আদালতে গত বছরের ২৬ নভেম্বরের রিট পিটিশন নং- ৯১৬/১৯ তারিখের শুনানির প্রেক্ষিতে ঢাকা নারায়ণগঞ্জসহ ৫টি জেলায় অবৈধ ইটভাটা ১৫ দিনের মধ্যে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বন্ধ করার আদেশ দিলেও রূপগঞ্জের কাঞ্চন পৌরসভার ১ ও ২ নং ওয়ার্ডে গড়ে উঠা অবৈধ ইটভাটাগুলো চলমান রয়েছে।

এসময়ের মধ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর চারটি ইটভাটাকে ১ লাখ টাকা করে মোট ৪ লাখ টাকা জরিমানা করলেও ইটভাটাগুলোকে উচ্ছেদ করেনি। এতে পরিবেশ বিপর্যের হুমকি হয়ে দাড়িয়েছে। স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ও সন্ত্রাসীদের ছত্রছায়ার ওই ইটভাটাগুলি চলছে বলে একাধিক সূত্র জানায়। অবৈধ ক্ষমতার জোরে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ও বাজার ঘেষে কয়েকটি ইটভাটা চলছে।

এদিকে অবৈধ ইটভাটা চলমান করতে কাঞ্চন পৌরসভা ১ ও ২ নং ওয়ার্ডের ইটভাটার মালিকরা সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে, যাহার নং-৩৬৭৩/১৯। আপিলের প্রেক্ষিতে আদালত শুনানি অন্তে আপিল খারিজ করে দেয়। এরপর ইটভাটা মালিকরা উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে বহাল তবিয়তে পরিবশে বিনষ্টকারী ইটভাটার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে এলাকাবাসী সুস্থ্য স্বাভাবিক পরিবেশকে বিনষ্টকারী ইটভাটার কালো ধোয়া ও ধুলোবালি থেকে রক্ষা পেতে ইটভাটাগুলো বন্ধের জোর দাবি জানান।
ইটভাটার কারইে এলাকার তিন ফসলি জমি ও এলাকাবাসীর স্থাস্থ্য ঝুঁকি পদখা দিয়েছে। এছাড়াও ইটভাটা স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসা প্রাইমারি স্কুল, বিরাবো বাজার ও কিন্ডার গার্টেনের কাছাকাছি  থাকায় মারাত্মক বায়ূ দূষণ হয়ে পড়ছে এবং ঝুঁকিতে রয়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে ইটভাটা চালানো রহস্যজনক। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের উদাসিনতাকে তারা দায়ি করেন। এর আগে, ইটভাটাকে কেন্দ্র করে নানা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও এলাকাবাসীর উপর হামলার কর্মকান্ডের থানায় মামলাও হয়।

তারা আরো জানান, ইটভাটার মালিকরা প্রভাবশালী হওয়ায় তারা দম্ভোক্তি দিয়ে এগুলো চালিয়ে যাচ্ছে। তারা বলছে তাদের ইটভাটা উচ্ছেদ হবেনা।

জানা গেছে, কাঞ্চন পৌরসভার ১ ও ২ নং ওয়ার্ডে তারাইল ও বিরাবো অবস্থিত ১৫ টি ব্রিক ফিল্ড ২০১৩ ও ২০১৯ সালের বিধান মোতাবেক এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তিন ফসলীয় জমিতে স্থাপনা না করার জন্য নিষেধ থাকার পরও কাঞ্চন পৌরসভায় নির্দেশ অমান্যক্রমে তিন ফসলীয় জমিতে ইটের ভাটায় স্থাপন করে জমির নষ্ট করছে।

প্রসঙ্গত, মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশন মাননীয় বিচারপতি জনাব এফ.আর.এম নাজমুল হাসান ও কে.এম কামরুল কাদেরদ্বয় গত ২৬ নভেম্বরের রিট পিটিশন নং- ৯১৬/১৯ তারিখের শুনানির প্রেক্ষিতে ঢাকা নারায়ণগঞ্জসহ ৫টি জেলায় অবৈধ ইটভাটা ১৫ দিনের মধ্যে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বন্ধ করার জন্য আদেশ প্রদান করেন।