শিরোনাম

নিজস্ব প্রতিবেদক  : রূপগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার জমি রক্ষায় মামলা মোকদ্দমা সহ নানা কর্মসূচি চালিয়ে আসছেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার।

তারই ধারাবাহিকতায় এবার রুপগঞ্জের ভোলাব , দাউদপুর ইউনিয়নের মৌজা কুলিয়াদি, রঘুনাথপুর, লক্ষ্যা শিমুলিয়া, শিমুলতলা, ব্রাহ্মনখালী তিন ফসলী জমি, পুকুর, মৎস্য খামার, কবরস্থান, সবজি চাষের জমি, নাল জমি সেচ প্রকল্পের আওতাধীন ফসলী জমি রক্ষার উদ্যোগ নিয়েছেন।
বিভিন্ন হাউজিং বালু ভরাট বন্দের দাবীতে ৩ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ জসিম উদ্দিনের কাছে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার আবেদন জানিয়েছেন।

একই আবেদন করা হয়েছে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে। সেই সাথে তাদের দাবী আদায় না হলে প্রয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় , পুলিশ সুপারের কার্যালয়, নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে অনসনের বসার কথা জানান।
তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, ফসলী জমি রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবসময় গুরুত্বরোপ করছেন। আপনাদের এ বিষয়টি নিয়ে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের সাথে কথা বলবো।

পরিবেশ অধিদপ্তরকে বলবো বালু ভরাটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।

এসময় অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার সহ আরও উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট আসিফুজ্জামান এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আঃ রাজ্জাক, মোঃ আনোয়ার হোসেন, কবির হোসেন, মোঃ সিরাজুল, নাজির, মোঃ নাছির ও মোঃ মজিবুর রহমান সহ গণ্যমান ব্যক্তিরা।

অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, আমি এর আগেও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে কথা বলে আসছি। এবারও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে পরিবেশ রক্ষায় জেলা প্রশাসকের বরাবর আবেদন জানিয়েছি।

জেলা প্রশাসককে ধন্যবাদ জানাই তিনি আমাদের সামনেই পরিবেশ অধিদপ্তরের সাথে কথা বলেছেন। আসলে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে চায় না।

সকলেই ভূমিদস্যুদের কাছ থেকে সুযোগ সুবিধা নেয়। ফলে ভূমিদস্যূ একের পর এক ফসলি জমি দখল করে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে যাচ্ছে। আমি সবসময় ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে কথা বলে আসছি এবং ভবিষ্যতেও বলে যাবো। প্রয়োজনে ভূমি রক্ষায় আমি অনসনে বসবো।

আবেদনে তারা উল্লেখ করেছেন, তারা বিগত ৫ পুরুষ যাবৎ উল্লেখিত এলাকায় বসবাস করে চাউল, গম, বিভিন্ন ধরনের সবজি, মাছ উৎপাদন করে রাজধানীর খাদ্য চাহিদা পূরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে আসছেন।

এলাকার জমি তিন ফসলী এবং দাউদপুর, লক্ষ্যা শিমুলিয়া-ব্রহ্মণখালী সেচ প্রকল্পের আওতাধীন। প্রধানমন্ত্রী তিন ফসলী জমিতে কোন প্রকার প্রকল্প স্থাপন না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেছেন।

 

 রবিউল আউয়াল রবি : ময়মনসিংহের ত্রিশালে মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে ৪নং কানিহারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফ আলী উজ্জল এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে ৪নং কানিহারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফ আলী উজ্জল বলেন, একটি কুচক্রীমহল  আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালিয়ে বিশেষ স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে আমি এর তীব্র নিন্দা  জানাই ।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্য উপস্থিত ছিলেন, ইউপি সদস্য শাহজাহান খান, আশরাফুল আলম নাাসিম, মোস্তফা কামাল, আবুল কাশেম, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ফাতেমা খাতুন, নাজমা খাতুন, রিনা বেগম প্রমূখ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগ এবং যুবলীগের নেতৃবৃন্দ ।
উল্লেখ্য, গত সোমবার ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে কানিহারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফ আলী উজ্জলের বিরুদ্ধে কয়েক জন ইউপি সদস্য সংবাদ সম্মেলন করেন এর প্রতিবাদে তিনি এ সংবাদ সম্মেলন করেন।

স্টাফ রিপোর্টার : রূপগঞ্জ উপজেলায় চনপাড়া বস্তিতে মাদক বিরোধী টাস্কফোর্সের অভিযানে ১৩ জন নারী-পুরুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে মাদক বিক্রির টাকাসহ বিপুল পরিমাণ গাঁজা ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এই অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারাওয়াত মেহজাবীন, তরিকুল ইসলাম ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অরবিন্দ বিশ্বাস।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো চনপড়া বস্তির বুলু মিয়ার স্ত্রী মনোয়ার (৩৫), ইসমাইলের স্ত্রী ময়না (৪৫), মামুনের স্ত্রী সীমা (২০) ও রুনা (৩৫), ফিরোজের স্ত্রী লুৎফা (৩৫), ইমরান মিয়ার স্ত্রী রিতু (৩৫), আব্দুল জলিলের ছেলে জহিরুল ইসলাম (২৫), বীরেন্দ্রনাথের ছেলে পিন্টু (২৬), ফিরোজের ছেলে আদর (২০), সাত্তার মিয়ার ছেলে আকাশ (২০), খলিলুর রহমানের ছেলে হৃদয় (২০), ফজলুর রহমানের ছেলে মাসুম (২৮) ও মামুন (৩৩)।

গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন যাবত ইয়াবা, গাঁজা, হেরোইন, ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন ধরণের মাদক বিক্রি করে আসছিল বলে জানিয়েছেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সামসুল আলম।

তিনি জানান, মাদক বিরোধী এই অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগের ১১০ জন, জেলা পুলিশের ৮৬ জন, র‌্যাবের ৩২ জন জেলা আনসার ও ভিডিপির ২০ জন এবং কোস্টগার্ডের ১০ জনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৩০০ সদস্য অংশগ্রহণ করেন। স্থল ও নৌ উভয় পথে পরিচালিত এই অভিযানে ১৩ জন গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ৫ কেজি ২৫০ গ্রাম গাঁজা, মাদক সেবনের সরঞ্জাম, মাদক বিক্রির নগদ ৪৫ হাজার ৭শ’ ৩০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশনস ও গোয়েন্দা) ড. এএফএস মাসুম রব্বানীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং বিভাগীয় পরিচালক ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। মাদক বিরোধী এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান সামসুল আলম।