শিরোনাম

স্টাফ রিপোর্টার : আড়াইহাজারে পরকীয়া সম্পর্কের জেরে এক মসজিদের ইমামের গোপনাঙ্গ কর্তনের অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আহত ইমামকে মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

সোমবার (৪ নভেম্বর) ভোররাতে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের নৈকাহন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

 

আহত আমজাদ হোসেন মনির (৪৫) উপজেলার উচিৎপুরা ইউনিয়নের জাঙ্গালিয়া বুরুমদীপাড়া গ্রামের মৃত সাদেকুর রহমানের ছেলে। সে আড়াইহাজার বাজারের পিংকী সুপার মার্কেটের পাশের একটি মসজিদে ইমাম হিসেবে কর্মরত।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ইমাম আমজাদ হোসেন স্থানীয় এক নারীর সাথে অবৈধ সম্পর্কের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্ত্রী সনিয়া আক্তারের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ পারিবারিক কলহ চলে আসছিল। এ নিয়ে সোমবরা রাতেও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে ভোররাতে স্ত্রী ছনিয়া আক্তার ধারালো ব্লেড দিয়ে স্বামী আমজাদ হোসেনের গাপনাঙ্গ কর্তন করে পালিয়ে যায়।

ঐ সময় তার চিৎকারে বাড়ি ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে তার অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

স্ত্রী সনিয়া আক্তারের ভাই কাউসার জানান, তার দুলাভাই আমজাদ হোসেন আড়াইহাজার বাজারে পিংকী সুপার মার্কেটের এক দর্জির দোকানের নারী কর্মচারীর সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলে।তাদের দুজনকে বাসায় অনৈতিক অবস্থায় দেখার পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়।

এ নিয়ে ইমাম আমজাদ হোসেন তার বোন ছনিয়া আক্তারের উপর শারিরীক নির্যাতন চালাতো বলে জানান। তাদের সংসারে দ্বীন ইয়ামিন (৮), ফারিয়া আক্তার (৬) ও বায়েজিদ (৩) নামে ২ ছেলে ও ১ কন্যা সন্তান রয়েছে।

আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, এ ব্যাপারে আমাদের কাছে লিখিত কোনো অভিযোগ আসে নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রবিউল আউয়াল রবি :  ত্রিশাল উপজেলার কাঠাল স্কুল এন্ড কলেজ এমপিওভুক্ত করন উপলক্ষে  মিলাদ,দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। রোববার সকালে উক্ত স্কুল ও কলেজ প্রাঙ্গনে ।
এ সময়  ইঞ্জিনিয়ার  সুরুজ আলী মন্ডলের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা  প্রিন্সিপাল আনিসুর রহমান খোকন।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা তাতীলীগের সহ-সভাপতি মাহমুদুর রহমান সুরুজ,বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রবীন রাজনীতিবীদ ফজলে রাব্বী,কাঠাল ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন কামাল।
ত্রিশাল উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহবুবুল আলম পারভেজ,দৈনিক পল্লী সংবাদ এর সম্পাদক ও প্রকাশক আজাহারুল ইসলাম আজাহার।
নিরঞ্জন চন্দ্র পন্ডিত এর পরিচালনায় বক্তারা কাঠাল স্কুল এন্ড কলেজ এমপিওভুক্ত করনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা যার অক্লা্ন্ত পরিশ্রম ও ত্যাগের বিনিময়ে কাঠালবাসী একটি এমপিও ভুক্ত স্কুল এন্ড কলেজ পেয়েছে সেই মহান ব্যক্তি অধ্যক্ষ আনিসুর রহমান খোকন কে ধন্যবাদ জানান।
পরে সভাপতির বক্তব্যে এলাকাবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে  ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

রূপগঞ্জ প্রতিনিধি :  মাদক,বাল্য বিবাহ, যৌন হয়রানী ও যৌতুক প্রতিরোধে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে কাঞ্চন পৌরসভার মেয়রের সাথে এলাকাবাসীর মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার সকালে উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভা মিলনায়তনে পৌর সচিব এটিএম নুরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পৌর মেয়র আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম রফিক।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, পৌরসভার প্যাণেল মেয়র পনির হোসেন, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক গোলাম রসুল, কাউন্সিলর মফিকুল ইসলাম খান, মাঈনউদ্দিন, আবু নাঈম মিয়া, মোহাম্মদ হোসেন মিয়া, জামাল হোসেন, রোকন মিয়া, আইয়ুব খান, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর মিনারা বেগম, সাফিয়া আক্তার ডলি, সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা নজরুল ইসলাম, সার্ভেয়ার মোস্তফা মোল্লা, সজিব মিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

নিজস্ব প্রতিবেদক :  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক) এর নির্দেশে রূপগঞ্জের চনপাড়া শেখ রাসেল নগর ইউনিয়নে মাদক বিরোধী র‌্যালী ও সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

”আসুন নিজে বদলে যাই, সমাজটাকে বদলে দেই” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে মাদকবিরোধী র‌্যালী আয়োাজন করেন শেখ রাসেল নগর ইউনিয়ন পরিষদ বাস্তবায়ন কমিটি।

চনপাড়া রূপগঞ্জ উপজেলার একটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। তিনদিকে নদীবেষ্টিত এলাকাটি অনেকের কাছেই মাদকের স্বর্গরাজ্য বলে পরিচিত । বলা হয়ে থাকে , রূপগঞ্জ উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়ন ও আশেপাশের কয়েকটি থানার মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ হয় এ এলাকা থেকেই।

মরণ নেশা এই মাদকের কারণে এলাকার যুব সমাজ এবং ছাত্র সমাজ আজকে ধ্বংসের সম্মুখীন । দীর্ঘদিন যাবৎ এই সমস্যার সমাধানের জন্য তেমন কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি ।

এই যুব সমাজকে এবং এলাকাকে রক্ষা করার জন্য এগিয়ে এসেছেন চনপাড়া শেখ রাসেল নগর ইউনিয়ন পরিষদ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক নূর আলম মুন । চনপাড়ার কৃতি সন্তান ও শিক্ষিত সমাজের অহংকার নুর আলমের নেতৃত্বে আজকে চনপাড়া যুবসমাজ ঐক্যবদ্ধ ।

ঐক্যবদ্ধ সমাজ মনে করে সংঘবদ্ধভাবে সামাজিক আন্দোলন, সচেতনতা এবং রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সদিচ্ছা তৈরি করতে পারলেই চনপাড়াকে আধুনিক এবং মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত একটি জনপদে রুপান্তর করা সম্ভব ।

আধুনিক শেখ রাসেল নগর ইউনিয়ন পরিষদ গঠনের লক্ষ্যে ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজকে এই সভা ও মাদকবিরোধী আয়োাজন করা হয়েছে গাজী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ মাঠে।

এতে বিভিন্ন পর্যায়ের হাজার হাজার সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন এবং মাদকমুক্ত চনপাড়াা গঠনে তাদের সার্বিক সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেন।

সভায় উপস্থিত থেকে ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মাহবুবুল আলম বলেন, মাদক নির্মূলে যত কঠোর হওয়া প্রয়োাজন প্রশাসন মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শেখ রাসেল নগর ইউনিয়ন পরিষদ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব নাজিমুদ্দিন ,সাংগঠনিক সচিব ইব্রাহিম, ফার্জানা ববি , শাকিল, মনের ,মাসুম, আলমাস দেওয়ান, মোহাম্মদ আলী , ইঞ্জিনিয়ার বিল্লাল, আফজাল, দেলোয়ার, মাসুম, মোক্তার, ফারজানা, সর্নালি, শামীম আরাফাত ,সেলিম, শাকিল প্রমুখ ।

নিজস্ব প্রতিবেদক :  দলীয়প্রধান বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি বা সরকার পতনের আন্দোলনের কথা বলা হলেও সে হালে পানি পাচ্ছে না বিএনপি। দলটির নেতারা এখন প্রকাশ্যে সভা-সমাবেশে আত্মসমালোচনায় সরব হয়ে উঠছেন।

বিপদের সময় খোঁজ না নেয়া এবং আন্দোলন তৈরিতে ‘ব্যর্থতার’ জন্য বিএনপির নেতাদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘বুয়েটছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আন্দোলন তৈরির সুযোগ থাকলেও নেতারা তা করতে পারেননি।’

গত ২৪ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত ওই আলোচনা সভায় তিনি আরও বলেন, ‘তিনবার জেলে গিয়েছি। প্রত্যেকবার রাজপথ থেকে গিয়েছি, আমাকে বাসা থেকে ধরেনি কখনও। একটা লোক ফোন করে খবর নেয়নি। এবার একমাত্র রিজভী (রুহুল কবির রিজভী) ফোন করে খবর নিয়েছিল, আমার পরিবারের খবর নেয়ারও চেষ্টা করেছে। ২৮ বছর এ দল করি। কোনো সহমর্মিতা নাই।’

গত ২৬ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আইনজীবীদের এক সমাবেশে অংশ নিয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনের নামে ভোট ডাকাতি হয়েছে। আমরা প্রতিবাদও করতে পারলাম না। এটা আমাদের ব্যর্থতা, আমাদের দুর্ভাগ্য।’

২১ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) আলোচনা সভায় দলীয় এমপিদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ। ‘মুক্ত হয়েই বেগম খালেদা জিয়া উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাবেন’- দলীয় সংসদ সদস্যদের এমন বক্তব্যে তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান।

গত ২৯ অক্টোবর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস যুবদলের কঠোর সমালোচনা করেন।

আব্বাস বলেন, ‘আমরা যুবদলের নেতৃত্ব তৈরি করতে পারিনি। চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়েছে।’ সেখানে উপস্থিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘কেউ কেউ ফিসফিসিয়ে হাসিনাকে (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) আশ্বস্ত করেছেন যে, খালেদা জিয়া প্যারোলের জন্য রাজি হবেন। আমরা একটু লোভ সামলাতে পারলাম না। আমাদের ক’জন সংসদে গিয়ে হাজির হলেন। আজ তারা সংসদ থেকে এসে বলেন, খালেদা জিয়া মুক্তি পেলে লন্ডন যাবেন।’

‘ম্যাডামের মুক্তি অনেক আগেই হওয়ার কথা। এ কারণে নির্বাচনের আগে সরকারের সঙ্গে সংলাপও হয়। কিন্তু সেখানে অন্যান্য জোটের নেতারা ছিলেন, যে কারণে সেখানে ম্যাডামের মুক্তির বিষয়টি প্রাধান্য পায়নি’- বলেন গয়েশ্বর।

তিনি আরও বলেন, “খালেদা জিয়া জেলে থাকুক, তাতে তিনি ছোট হবেন না। কিন্তু খালেদা জিয়াকে অপমান করার দুঃসাহস, মনে হয় আমাদের কারও থাকা উচিত নয়। খালেদা জিয়ার মৃত্যু যেখানে লেখা আছে সেখানে হোক কিন্তু এর দায়িত্ব যদি কেউ বহন করে, এটা দৃশ্যমান হয় তার পরে কী হবে? আমি মীরজাফর বলব না, মীরজাফর তো একটা নাম। তবে দলে কেউ ‘জাফর’ হতে পারেন।”

এরও আগে অর্থাৎ গত ১৫ অক্টোবর গয়েশ্বর চন্দ্র রায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সভায় বলেন, ‘আমাদের মধ্যেও এ রকম একটা দালাল শ্রেণি আছে, এটা মিথ্যা নয়। যারা খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তির কথা বলছেন, তারা সরকারের সাথে সমঝোতা করছেন।’

গত ১ নভেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক প্রতিবাদ সভায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক দলের নীতিনির্ধারণীদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আন্দোলনের জন্য সবাই প্রস্তুত! আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাহেব বলেন, বিএনপির আন্দোলনের হেডাম নাই, আন্দোলন করেন, জামিন করেন। আমারও আজ ওবায়দুল কাদের সাহেবের সঙ্গে প্রশ্ন, আমরা মাঠে নামছি না কেন?’

ইমদাদুল হক দুলাল : রূপগঞ্জ জুড়ে ঢাকা সিলেট মহাসড়ক ও এশিয়ান হাইওয়ে বাইপাস সড়কের প্রবেশ মুখ বন্ধ করে অবৈধভাবে সিএনজি, অটোস্ট্যান্ড ও রেন্ট এ কারের স্ট্যান্ড গড়ে উঠেছে।

এতে করে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে সড়ক ও মহাসড়কগুলোতে। যানজটের কারনে অনেক সময় হেটে চলাও কষ্টকর হয়ে পড়ে সাধারন মানুষের। এই অবৈধ স্ট্যান্ডের কারনে মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয় দূরপাল্লার যাত্রীদের।

এ অবৈধ স্ট্যান্ডের নেপথ্যে রয়েছে এলাকা ভিত্তিক ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ের যুবলীগ ও শ্রমিকলীগের নেতাকর্মীরা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ঢাকা সিলেট মহাসড়কের কাঁচপুর থেকে আধুরিয়া পর্যন্ত মহাসড়কের প্রবেশ মুখ বন্ধ করে বিশ্বরোড়, বরাব, রূপসী, বরপা, কর্নগোপ, ভুলতা, গোলাকান্দাইল ও আধুরিয়সহ প্রায় ১৫/২০টি সিএনজি ও অটোস্ট্যান্ড গড়ে উঠেছে।

এমনকি ভুলতা থেকে গোলাকান্দাই পর্যন্ত মহাসড়কেররএক অংশ দখল করে রেন্ট এ কারের স্ট্যান্ড গড়ে তোলা হয়। এত করে প্রায় প্রতিদিনই যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ভুলতা ফ্লাইওভার চালু হওয়ার পর ঢাকা সিলেট সহাসড়কের দূরপাল্লার গাড়িগুলো ফ্লাইওভার দিয়ে চলে যাওয়ার কারনে যানজট অনেকটাই কমে গেছে।

কিন্তু ভুলতা-মুড়াপাড়া সড়কের প্রবেশমুখ ও মহাসড়কের অনেকটা জায়গা দখল করে সিএনজি ও অটো স্ট্যান্ড গড়ে তোলায় সারাদিনই এখানে যানজট লেগে থাকে। মহজমপুর বরপা সড়কের বরপা বাস স্ট্যান্ডে ঢাকা সিলেট মহাসড়কের প্রবেশ মুখ বন্ধ করে স্থানীয় যুবলীগ নেতাকর্মীরা গড়ে তুলেছে সিএনজি ও অটোস্ট্যান্ড।

এখানেও মহাসড়কের একাংশ দখল করে বরপা থেকে যাত্রাবাড়ি আসা যাওয়ার গ্রীনবাংলা নামক সার্ভিসের স্ট্যান্ড। গোলাকান্দাইল,ভুলতা ও সাওঘাট এলাকর মহাসড়কের চিত্র হলো ভিন্ন। অনেক সময় সিএনজি অটো, ইজিবাইক ও রেন্ট এ কারের গাড়ির কারনে মনে হয় এখানে গাড়ির হাট বসেছে।

তারা প্রায় মহাসড়কেই স্ট্যান্ড গড়ে তুলেছে। বিশ্বরোড় এলাকায় মহাসড়ক ঘেঁষে গড়ে উঠেছে ট্রাক স্ট্যান্ড এই ট্রাক স্ট্যান্ডের কারনে অনেক সময় যানজটের সৃষ্টি হয়। বরাব বাস স্ট্যান্ডের দুই পাশেই মহাসড়কের প্রবেশ মুখ বন্ধ করে অটোস্ট্যান্ড গড়ে তোলা হয়েছে। রূপসী, কর্নগোপ, আধুরিয়া প্রতিটি শাখা রাস্তায় ঢাকা সিলেট মহাসড়কের প্রবেশ মুখ বন্ধ করে শ্রমিকলীগ- যুবলীগ মিলিতভাবে এ অবৈধ স্ট্যান্ড গড়ে তোলে।

শিষ্টজনেরা মনে করেন, সড়ক ও মহাসড়কের পাশে অনেকস্থানে সরকারী খালি জায়গা ও জলাশয় রয়েছে। এগুলো ভরাট করে মহাসড়কের পাশে সিএনজি ও অটোরিক্সার স্ট্যান্ড গড়ে উঠেছে তা সেখানে স্থানান্তর করলে হয়তো মানুষের অনেকটাই ভোগান্তি কমে যাবে। তখন আর মহাসড়কের প্রবেশমুখ বন্ধ হবেনা। তখন যানজটও থাকবেনা।

জেলা ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মাহাবুব শাহ বলেন, যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশ সব সময় আন্তরিকতার সহিত কাজ করে থাকে। প্রতিদিনই আমরা সিএনজি ও অটোরিক্সার স্ট্যান্ডগুলো সরিয়ে দেই। তারা যাতে ঢাকা সিলেট মহাসড়কের প্রবেশ মুখ বন্ধ করতে না পারে সেজন্য স্থায়ীভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক :    তৃণমূল থেকে উঠে আসা প্রবীণ রাজনীতিবিদ, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এবং অবিভক্ত ঢাকার সাবেক মেয়র মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকা আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর।

সোমবার (০৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ সময় বেলা ১টার সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের মেমোরিয়াল স্লোয়ান ক্যাটারিং ক্যানসার সেন্টারে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের গণমাধ্যম শাখার সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

হাসপাতালে আছেন তার ছেলে বিএনপির বৈদেশিক বিষয়ক কমিটির সদস্য প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন। এছাড়াও তার মা ইসমত হোসেন, বোন সারিকা সাদেক, ভাই ইশফাক হোসেন আছেন।

এর আগে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ১৮ অক্টোবর সাদেক হোসেন খোকাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২৮ অক্টোবর তার স্বাস্থ্যের আরও অবনতি ঘটলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়।

সাদেক হোসেন খোকা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। চারবার নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য। দুই বার কেবিনেট মন্ত্রী ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি অবিভক্ত ঢাকার মেয়র, কেবিনেট মন্ত্রী ও  অবিভক্ত ঢাকা মহানগর বিএনপির সভাপতি পদে ছিলেন।

খোকার জীবনের শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে দেশে আনা পরিবারের পক্ষে সম্ভব হবে কিনা তা এখনো নিশ্চিত নয়। পাসপোর্ট না থাকায় দেশে ফিরতে পারছেন না তিনি। এখন কী করণীয়, এ নিয়ে স্বজনেরা বিভ্রান্তিতে আছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ভিজিট ভিসার নিয়ম মোতাবেক, ৬ মাস পর পর যাওয়া-আসা করে মার্কিন ভিসা বৈধ রাখার নিয়ম। ২০১৭ সালে খোকা ও তার স্ত্রী ইসমত হোসেনের পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। তারা নিউইয়র্ক কনস্যুলেটে নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন পাসপোর্ট পাওয়ার ব্যাপারে কনস্যুলেট থেকে কোনো সদুত্তর দেওয়া হয়নি।

২০১৪ সালের মে মাসের ১৪ তারিখে সাদেক হোসেন খোকা চিকিৎসার জন্য সপরিবারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গমন করেন। সেখানে তার কিডনির সমস্যা ধরা পড়ে। তার পর থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সে একটি বাসায় দীর্ঘদিন ধরে থাকছিলেন বিএনপির এ নেতা। বিদেশে থাকা অবস্থায় বেশ কয়েকটি দুর্নীতি মামলায় দণ্ড হয় খোকার।