স্টাফ রিপোর্টার, প্রাণের দেশ :

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর ও মোহাম্মদপুর এলাকায় পৃথক দুটি অভিযানে ডাকাত-ছিনতাইকারী চক্রের ১০ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-২)। সোমবার ৭ অক্টোবর সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত চালানো অভিযানে তাদের আটক করা হয়।

মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় র‌্যাব-২-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি মোহাম্মদ সাইফুল মালিক  এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

শেরেবাংলা নগর থেকে আটক ৬ জন হলো মো. জুয়েল (২৪), মো. পারভেজ খান (২৫), আক্তার হোসেন (২৮), মো. জসিম ওরফে মটু (৩০), কালু মিয়া (৪১) ও মো. রহমান (২২)।
মোহাম্মদপুর থেকে আটক ৪ জন হলো মো. আরজু মিয়া (২৪), মো. হাসান ওরফে ফেকু (২৪), মো. ইয়াছিন (২১) ও সানজু (২০)।

আটকের সময় তাদের কাছ থেকে ২টি চাপাতি, ৮টি চাকু ও ৬টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
মোহাম্মদ সাইফুল মালিক জানান, আটক ব্যক্তিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ছিনতাই করার কথা স্বীকার করেছে।

এছাড়া তারা সংঘবদ্ধভাবে ডাকাতিও করতো। রাতে এই চক্রের সদস্যরা দুই-তিনটি গ্রুপে ভাগ হয়ে বিভিন্ন বাড়ি বা ফ্ল্যাটের গ্রিল কেটে বা তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকতো। অস্ত্রের মুখে বাসিন্দাদের জিম্মি করে লুটপাট করতো। ডাকাতি করার আগে তারা টার্গেট করা বাড়ি বা ফ্ল্যাটের বাসিন্দাদের তথ্যও সংগ্রহ করতো বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায় তারা।

বি-বাড়ীয়া প্রতিনিধি, প্রাণের দেশ :

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদের হত্যাকারীরা যে দলেরই হোক না কেন; তারা যে পরিবেশ থেকেই আসুক না কেন; তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড যতই ভালো হোক না কেন তাদের আইনের আওতায় এনে সঠিক সাজা দেয়া হবে।

মঙ্গলবার জয়নগর-বিষ্ণাউড়ি দারুসুন্নাহ দাখিল মাদরাসা মাঠে গোপিনাথপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিএনপির সময় বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়া ছিল আইনের ওপরে আর আইন ছিল তাদের টেবিলের তলায়। বিএনপির অতীত হচ্ছে দুর্গন্ধের অতীত, তাদের অতীত অপরাধের ও অভিশাপের। তাদের মুখে উল্টাপাল্টা বুলি মানায় না।

স্থানীয় গোপিনাথপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ডা. মো. আবদুল কাদির ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. রাশেদুল কাওসার ভূঁইয়া জীবন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনিসুল হক ভূঁইয়া প্রমুখ।

স্টাফ রিপোর্টার, প্রাণের দেশ :
নগরীর ডেমরায় কাজ করার সময় পেটে রড ঢুকে রফিকুল ইসলাম মাসুদ (২৬) নামে এক মেটাল শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
মাসুদ শেরপুরের সদর থানার শালচুড়া খৈরাঘাট গ্রামের মো. নিয়াজের ছেলে। তিনি ডেমরার বাদশা মিয়া রোড এলাকায় অবস্থিত এস.বি মেটাল নামে একটি কারখানায় রড চেপ্টা করার কাজে নিয়োজিত ছিলেন।
মৃতের পরিবারের বরাত দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করে ডেমরা থানার এসআই মো. শাহজাহান বলেন, গত ৩ অক্টোবর বিকালে মেটাল শ্রমিক মাসুদ ওই কারখানায় কাজ করছিলেন। এ সময় অসাবধানতাবশত তার পেটে একটি রড ঢুকে যায়। এ ঘটনায় অন্যান্য শ্রমিকেরা মাসুদকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে গত সোমবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার মৃতের পরিবারের লিখিত দাবিতে বিনা ময়না তদন্তে মৃতের লাশ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে

ঢাবি প্রতিনিধি, প্রাণের দেশ :

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে মোমবাতি হাতে মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মিছিলটি বুয়েট শহীদ মিনার থেকে শুরু করে সবগুলো আবাসিক হল প্রদক্ষিণ করে আবার শহীদ মিনারের সামনে এসে শেষ হয়।

মিছিল থেকে আন্দোলনকারীরা জানান, আবরার হত্যার চার্জশিট গঠন করা না পর্যন্ত ক্যাম্পাসের সকল কার্যক্রম স্থগিত থাকবে এবং তাদের আন্দোলন চলবে।

বিশেষ প্রতিনিধি, প্রাণের দেশ :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশে এখন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় আছে। ধর্মীয় সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠাই আওয়ামী লীগের বড় অর্জন। আমরা চাই অসাম্প্রদায়িক চেতনায় দেশ এগিয়ে যাক, শান্তি ফিরে আসুক।

শান্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই দেশ থেকে দুর্নীতি, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও মাদকের মতো সব ব্যাধি নির্মূল করা হবে। বাংলাদেশে শান্তি বজায় থাকবে, সমৃদ্ধি ও উন্নতি হবে এবং দেশের অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে।

সোমবার বিকালে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে রাজধানীর রামকৃষ্ণ মিশনে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনে পৌঁছলে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান মঠ ও মিশন প্রধান স্বামী পূর্ণাত্মানন্দসহ মিশনের কর্মকর্তারা। এ সময় তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

স্বামী পূর্ণাত্মানন্দ তার লেখা বই প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেন। পরে প্রধানমন্ত্রী মন্দিরে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। শেখ হাসিনা বলেন, সব ধর্মের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেই আরও এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। অসাম্প্রদায়িক চেতনার এই দেশে আমরা ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে সবাই এক হয়ে পথ চলি।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার ডাকে সাড়া দিয়ে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সব ধর্মাবলম্বীরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করে বুকের রক্ত বিলিয়ে এ দেশ স্বাধীন করেছে। কাজেই সেই স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা সব সময় চেয়েছি প্রতিটি ধর্মের মানুষ তার নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে, সম্মানের সঙ্গে পালন করবে।

সেই পরিবেশটা সৃষ্টি করা এবং আমরা তা করতে পেরেছি। অন্তত এটুকু বলতে পারি, আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসে তখন সেই সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তিনি বলেন, মানুষের আর্থিক সচ্ছলতাও বৃদ্ধি পেয়েছে। মানুষের মনে আনন্দ উৎসব আছে বলেই আজ পূজার সংখ্যা বেড়েছে। আমরা সব ধর্মের মানুষ উৎসব পালন করি।

শেখ হাসিনা বলেন, গত ১০ বছর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায়, শুধু ঢাকা শহর নয়, প্রতিটি জায়গায় পূজা-পার্বণ চমৎকারভাবে হচ্ছে। আরেকটি উৎসব আমরা করি সেটা হল- পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষ। ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষ সবাই সেদিনটি উদযাপন করি। আমরা পহেলা বৈশাখে উৎসব ভাতা দিচ্ছি।

তিনি বলেন, যখন আমাদের ঈদের জামাত হয় তখন হিন্দু সম্প্রদায়ের যুব সমাজ কিন্তু নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকে। আবার যখন পূজা-পার্বণ হয় তখন আমাদের মুসলমান যুবকরা সেখানে উপস্থিত থাকে, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকে। এই সৌহাদ্যপূর্ণ পরিবেশ আমরা সৃষ্টি করতে পারি। সব ধর্মের মূল কথাই হচ্ছে- শান্তি, মানবতা।

সেই লক্ষ্য নিয়েই বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে। বাংলাদেশ সেভাবে এগিয়ে যাবে, এটা আমরা বিশ্বাস করি। অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ ও পুলিশ প্রধান জাবেদ পাটোয়ারী বক্তব্য দেন।

ঢাকেশ্বরী মন্দিরে প্রধানমন্ত্রী

রামকৃষ্ণ মিশন থেকে প্রধানমন্ত্রী ঢাকেশ্বরী মন্দিরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যান। ঢাকেশ্বরীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। যেখানে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় সব ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে তাদের ধর্ম সমানভাবে পালন করতে পারবে। এজন্য আমরা সব ধর্মের অনুষ্ঠানে সবাই যোগ দিই। তিনি বলেন, প্রতিটি ধর্মের মর্মবাণী একটাই। সেখানে সৌহার্দ্য, সহনশীলতা, সহমর্মিতা, শান্তির কথা বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি। বাবা-মা-ভাই হারানোর ব্যথা বুকে নিয়েও কাজ করে যাচ্ছি। অসহায়, ছিন্নমূল মানুষগুলোর ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য আমার বাবা দেশ স্বাধীন করেছিলেন। স্বাধীন দেশে প্রতিটি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু তাকে বাঁচতে দেয়নি। মানুষের সুন্দর জীবন পাওয়ার জন্য কাজ করছি। যার সুফল মানুষ পেতে শুরু করেছে। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল।

এখন বাংলাদেশকে সবাই সম্মানের চোখে দেখে। কেউ কেউ অনুসরণও করতে চায়। এটা অর্জন করতে হয়েছে দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আইনশ্ঙ্খৃলা বাহিনী দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, যাতে শান্তিপূর্ণভাবে আপনারা ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন। কোনোরকম অস্বাভাবিক ঘটনা না ঘটে। সে কারণে ভাগে ভাগে পূজা না করে সম্মিলিতভাবে করলে ভালো হবে। নিরাপত্তা বিধানে সহজ হয়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, স্থানীয় এমপি হাজী মোহাম্মদ সেলিম, পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্মল কুমার চ্যাটার্জি বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের ত্রাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শ্রী মিলন কান্তি দত্ত, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, সাবেক এমপি ডা. মোস্তফা জালালসহ আওয়ামী লীগ ও সনাতন ধর্মাবম্বলীর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাবি প্রতিনিধি, প্রাণের দেশ :

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের প্রায় ৩৬ ঘণ্টা পর শিক্ষার্থীদের সামনে এলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম।

বেঁধে দেয়া সময় শেষে মঙ্গ লবার সন্ধ্যা ৬টার পরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সামনে হাজির হন ভিসি। এসেই শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েন ভিসি। এ সময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ভিসি বলেন, তোমরা যা দাবি দিয়েছ তোমাদের দাবির সঙ্গে অ্যাগ্রি (একমত) করছি। আমরা নীতিগতভাবে সব দাবি মেনে নিচ্ছি।

এ সময় শিক্ষার্থীরা ভিসিকে দাবিগুলো পড়ে শুনিয়ে ঠিক কোন কোন দাবি মানা হল- তা জানতে চাইলে বিষয়টি এড়িয়ে চলে যেতে চান ভিসি।

একপর্যায়ে ভিসিকে শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন করেন, আবরার হত্যার ঘটনার পর তিনি কেন ক্যাম্পাসে আসেননি? জবাবে ভিসি বলেন, আমি ক্যাম্পাসে ছিলাম। এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে স্লোগান দিতে শুরু করেন।

শিক্ষার্থীদের এসব প্রশ্নের জবাবে ভিসি বলেন, আমি সারাদিন মন্ত্রী মহোদয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি, মিটিং করেছি। এগুলো না করলে দাবিগুলোর সমাধান হবে কীভাবে। সব তো আমার হাতে নেই। সরকারকে কনভিন্স করে আমাকে চলতে হয়।

ভিসি শিক্ষার্থীদের বলেন, তোমাদের দাবির সঙ্গে আমি একমত। উদ্ভূত সমস্যা সমাধানের উপায় বের করা হচ্ছে। আমি কাজ করে যাচ্ছি।

স্যার আপনি কী কাজ করছেন? এক শিক্ষার্থীর এ প্রশ্নের উত্তরে ভিসি বলেন, তোমাদের এই ব্যাপারটি নিয়ে কাজ করছি। আমি রাত ১টা পর্যন্ত কাজ করেছি।

শিক্ষার্থীদের আলাদা ডেকে নিয়ে কথা বলার প্রস্তাব দিলে ভিসির সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। এ সময় আবারও শিক্ষার্থীরা ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে স্লোগান দিতে শুরু করেন।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বিকাল ৫টার মধ্যে উপাচার্যকে ক্যাম্পাসে আসার আলটিমেটাম দেন। তিনি না এলে কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা করা হবে বলেও শিক্ষার্থীরা জানান।