বলিউড অভিনেত্রী বিদ্যা বালান। সম্প্রতি তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। তিনি নাকি মা হতে চলেছেন! 

গত বৃহস্পতিবার, মুম্বাইয়ের এক রেস্তোরাঁ থেকে বের হওয়ার সময় ক্যামেরাবন্দি হন অভিনেত্রী। এদিন কালো ম্যাক্সি ড্রেস ও সঙ্গে ডেনিম জ্যাকেট পরে ছিলেন তিনি। মুহূর্তেই হন ক্যামেরাবন্দি। এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। 

বিভিন্ন পোস্টের নিচে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীরা লিখেছেন, বেবির অপেক্ষায় রইলাম। অনেকে আবার অগ্রীম শুভকামনা জানিয়েছেন। যদিও বিদ্যা এ বিষয়ে কোন কিছুই বলেননি। 

২০১২ সালে আদিত্য রায় কাপুরের সঙ্গে মালাবদল করেছেন অভিনেত্রী বিদ্যা। তারপর থেকে সুখেই ঘর সংসার করছেন তিনি। 

শেষবার বিদ্যাকে দেখা গিয়েছিল ‘তুমহারি সুলু’ ছবিতে। যেখানে বিদ্যার অভিনয় মুগ্ধ করেছিল সিনেমাপ্রেমীদের। ছবিটি বক্স অফিসে বেশ ভালো ব্যবসাও করে। বিদ্যার নতুন ছবি ‘মিশন মঙ্গল’। শীগগিরই ছবিটি মুক্তি পাবে।

টিজারেই দর্শকদের চমকে দিয়েছিল ‘সাহো’র নতুন গান ‘ইন্নি সোনি’। প্রায় ৩৬ সেকেন্ডের টিজারে প্রভাস-শ্রদ্ধার রসায়ন মন কেড়েছিল নেটিজেনদের। তখন থেকেই অপেক্ষার শুরু। অবশেষে মুক্তি পেল গান। মুক্তির পরই জনপ্রিয় গানের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে ‘ইন্নি সোনি’। খবর জিনিউজের। গানে উজ্জ্বল পোশাকে মোহময়ী লেগেছে শ্রদ্ধাকে। কম যাননি প্রভাসও। গানের তালে নাচতেও দেখা গিয়েছে এই বাহুবলী খ্যাত অভিনেতাকে। গানের দৃশ্যে বরফে ঢাকা পাহাড়ের মাঝে প্রভাস-শ্রদ্ধার রোম্যান্সের উষ্ণতাও দেখা গেছে। প্রকৃত অর্থেই প্রশংসার যোগ্য ছবির সিনেম্যাটোগ্রাফি। অস্ট্রিয়ার ইন্সব্রুকে হয়েছে গানের দৃশ্য ধারণ। প্রভাস-শ্রদ্ধা ছাড়াও ‘সাহো’ ছবিতে আরও রয়েছেন নীল নীতিন মুকেশ, জ্যাকি শ্রফ, চাঙ্কি পাণ্ডে, মহেশ মাঞ্জরেকরের মতো অভিনেতারা। ছবিটি প্রথমে ১৫ আগস্ট মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। তবে ভিএফএক্স-এর কিছু কাজ এখনও বাকি থাকায় পেছোনো হয়েছে মুক্তির তারিখ। সম্ভবত ৩০ আগস্ট মুক্তি পেতে পারে ‘সাহো’।

মাছরাঙা টেলিভিশনের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘বিনোদন সারাদিন’ আজ রবিবার ৪ আগষ্ট থেকে প্রচারিত হবে সপ্তাহের ৪ দিন নতুন সময়ে। বিগত বছরগুলোতে বিকাল বা সন্ধ্যায় প্রচার হলেও এখন থেকে সপ্তাহের প্রতি রবি থেকে বুধবার রাত সাড়ে ১১টায় প্রচারিত হবে বিনোদন বিশ্বের খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানটি। 

২০১২ সালের ৬ মে যাত্রা শুরু করা ‘বিনোদন সারাদিন’ এর ১২৩৪ তম পর্ব প্রচারিত হবে আজ রাতে সাড়ে ১১টায়। আজকের পর্বের অতিথি হয়ে আসছেন চলচ্চিত্রের নতুন নায়িকা, উপস্থাপিকা জাহারা মিতু। 

রুম্মান রশীদ খান-এর গ্রন্থনা ও সার্বিক তত্বাবধানে হুমায়ূন কবীরের প্রযোজনায় ‘বিনোদন সারাদিন’ উপস্থাপনা করছেন সংগীতশিল্পী খেয়া। পরিবর্তিত সময়ে আঙ্গিকগত দিক দিয়েও বেশ কিছু পরিবর্তন থাকছে বলে জানালেন অনুষ্ঠান সংশ্লিষ্টরা। 

ইতিপূর্বে এ অনুষ্ঠানেই অতিথি হয়ে এসেছিলেন আলমগীর, সুবর্ণা মুস্তাফা, প্রয়াত সুবীর নন্দী, প্রয়াত দিতি, প্রয়াত শহীদুল ইসলাম খোকন, প্রয়াত তাজিন আহমেদ, তৌকীর আহমেদ, বিপাশা হায়াত, মোশাররফ করিম, জয়া আহসান, পূর্ণিমা, ফেরদৌস, রিয়াজ, মাহফুজ আহমেদ, তারিন, অনন্ত জলিল, অপূর্ব, মেহ্জাবীন সহ বিনোদন জগতের শীর্ষস্থানীয় প্রায় সব তারকা।

ভারতীয় জি বাংলার সংগীত বিষয়ক অনুষ্ঠান ‘সা রে গা মা পা’র তৃতীয় স্থানাধিকারী বাংলাদেশি নোবেল ডুয়েট গান গাইতে চান না। শুধু তাই নয়, নিজের ব্যান্ড দল ছাড়া অন্য সংগীত শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করা নিয়েও আপত্তি রয়েছে তার।   

একইসঙ্গে প্লে ব্যাকে নিজের ব্যান্ড ছাড়া অন্যদের সঙ্গে কাজ করতেও আপত্তি রয়েছে তার। নোবেলের খোলামেলা উত্তর, সিনেমায় ব্যান্ডদল নিয়েই কাজ করছি।

সিনেমায় সোলো গাইবেন? ডুয়েট গাইবেন না? এব্যাপারেও একটা শর্ত রয়েছে নোবেলের। তার কথায়, যদি লেডি গাগা হয় তাহলে তার সঙ্গে ডুয়েট গাইতে পারি। উপমহাদেশে আমার প্রিয় শ্রেয়া ঘোষাল, তার সঙ্গেও গাইতে পারি। বাংলাদেশ বা ভারতের কারও সঙ্গে ডুয়েট করব না।’

এমনকি সারেগামাপা-র বিচারক মোনালি ঠাকুরের সঙ্গেও নোবেল গান গাইবেন না বলে জানিয়েছেন।

সম্প্রতি জাতীয় সংগীত নিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছেন নোবেল। বলেছেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সোনার বাংলা’ গানটির তুলনায় প্রিন্স মাহমুদের গান ‘সোনার বাংলা’ অনেক বেশী করে দেশকে চেনায়।

এটা অবশ্যই তার ব্যক্তিগত মতামত বলেও জানিয়েছেন ভারতীয় জি বাংলার জি বাংলার রিয়েলিটি শো সারেগামামাপা খ্যাত শিল্পী নোবেল।    

স্টাফ রিপোর্টার : একসময় বাড়ির সামনে থাকতো লোকজনের ভিড়ভাট্রা। থাকতো নিরাপত্তার বাড়াবাড়ি। কঠোর নিরাপত্তার বেষ্টনী ভেদ করে সাধারণের প্রবেশাধিকার ছিল নিষিদ্ধ। বাড়ির সামনের রাস্তায় লোক চলাচলে ছিল বিধিনিষেধ।

নিরাপত্তায় নিয়োজিত কর্মীদের তীক্ষ্ণ নজর ছিল বাড়িটির চারদিকে।ক্ষমতাধর এমপি ও দলের প্রভাবশালী নেতারাও সেখানে ঢুকতেন জবুথবু হয়ে।

সেই প্রবল প্রতাপ চৌধুরি বাড়ি এখন সুনশান নীরবতা। নীরব-নিথর হয়ে বাড়িটি দাঁড়িয়ে আছে রূপগঞ্জের কাঞ্চন কেন্দুয়ায়। মতিন চৌধুরি নেই। নেই বাড়ির জৌলুসও।

বলছি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক স্বরাষ্ট্র ও বস্ত্রমন্ত্রী আব্দুল মতিন চৌধুরির কথা। আজ ( ৪ আগষ্ট ) আব্দুল মতিন চৌধুরির পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী। 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে সবচেয়ে আলোচিত মন্ত্রীত্বের পদ পান মতিন চৌধুরি। সেসময় তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তখন শুধু রূপগঞ্জ নয়, সারাদেশের অনেক নীতিনির্ধারনী সিদ্ধান্ত যেত এ বাড়ি থেকে। চলত নানা ধরণের তদবিরচর্চা।

এ কারণে রথী-মহারথীসহ তদবিরকারীদের আনাগোনা ছিল সেখানে। ২০০১ সালের নির্বাচনে তিনি পুনরায় নির্বাচিত হয়ে বস্ত্রবন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ২০০৫ সালে অসুস্থতাজনিত কারণে তাকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০০৬ সালে ক্ষমতার পালাবদলের পরপরই আব্দুল মতিন চৌধুরি ধীরে ধীরে আরো অসুস্থ হয়ে পড়েন।

এরপর থেকেই বাড়িটি নীরব-নিস্তব্ধ হতে থাকে। ২০১২ সালের ৪ আগষ্ট আব্দুল মতিন চৌধুরি না ফেরার দেশে চলে যান।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, বাড়িটির চারদিকে পিনপতন নীরবতা। নীরব-নিথর দাঁড়িয়ে আছে এক সময়কার বহুল আলোচিত রূপগঞ্জের চৌধুরি বাড়ি। বাড়ির প্রধান ফটকে ঝুলছে তালা। অযন্ত আর অবহেলায় বাড়িটির শ্রীহীন অবস্থা। ভবনে শ্যাওলা বাসা বেঁধেছে।

চারদিকে মাকড়সার ঝাল। মনে হয় যেনো ভূতুড়ে বাড়ি। স্থানীয়রা বলেন, আলো ঝলমল চাকচিক্যে ভরা আলোচিত চৌধুরি বাড়িটি এখন অন্ধকারাচ্ছন্ন। এখন এ বাড়িতে প্রবেশের জন্য কেউ ভিড় করেন না। রাজনীতি এখন কোনভাবেই স্পর্শ করতে পারছে না বাড়িটিকে।

একসময় প্রায় ২০ জনের মতো পাইক-পেয়াদা বাড়িটির দায়িত্বে ছিলো। এখন একজন লোক নিয়োজিত রয়েছেন যিনি মাঝে-মাঝে খোঁজখজর নেন। চিরচেনা সেই চৌধুরি বাড়িটিকে এখন আর যেন চেনাই যায় না।

স্থানীয় লোকজন আক্ষেপের সুরে বলেন, ওনি কোন দলের সেটা বড় বিষয় নয়। ওনি ছিলেন রূপগঞ্জের গর্ব। দুই দুইবার মন্ত্রীত্ব পেয়েছেন। তিনি মন্ত্রী থাকার কারণে এ বাড়িতে অন্য মন্ত্রী, প্রশাসনের বড় বড় কর্মকর্তারা আসতো।

প্রয়াত মতিন চৌধুরির ভাতিজা মিলন চৌধুরি বলেন, চাচা থাকাকালীন এ বাড়িতে ভিড় লেগেই থাকতো। সপ্তাহের বেশ সময় ওনি এলাকার বাড়িতে সময় দিতেন। এ বাড়িতে কতো মন্ত্রী-এমপি আসতো। আজ চাচায় নেই। তাই আমাদেরও আসা হয় না। বাড়িটি এখন শূণ্য।