শিরোনাম

ঢাকা ও চট্টগ্রামে নৌকা কেনার ধুম !!

প্রকাশিত হয়েছে
Patuakhali-pic-02-24.7.2018-Boat-dk

ডিজিটাল ডেস্কঃ বর্ষা মৌসুম এলেই দক্ষিনাঞ্চলের নদীগুলোতে বেড়ে যায় পানির উচ্চতা। পানিতে টইটুম্বর হয়ে ওঠে গ্রামগঞ্জের খাল-বিল। তখন নিম্নাঞ্চলের মানুষের চলাফেরায় প্রয়োজন হয় ছোট ছোট ডিঙ্গি নৌকার। বর্ষা মৌসুমে খাল-বিল-নদীতে মাছ শিকারেও জন্য ছোট ছোট নৌকার ব্যবহার বেওে যায়। ফলে বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই দক্ষিনের জনপদে বেড়ে যায়নৌকার কদর।

একসময় দক্ষিনাঞ্চলের কৃষিজীবিসহ সকল শ্রেনী পেশার মানুষের প্রধান বাহনই ছিল নৌকা। নদী সংলগ্ন বিভিন্ন হাটে বসত বড় নৌকার হাট। রাস্তা-ঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন হওয়ায় নৌকার ব্যবহার অনেকটাই কমে এসেছে। তবে বর্ষা মৌসুমে কিংবা বর্তমানে ভাঙ্গা বেড়িবাধঁ দিয়ে গ্রাম-গঞ্জে পানি প্রবেশ করায় কৃষক ও জেলেদের কাছে নৌকার কদর একটু বেড়ে গেছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, কলাপাড়া পৌর শহরের লঞ্চঘাটে জমে উঠেছে নৌকার হাট। মঙ্গলবার হাটের দিন হওয়ায় নৌকা বেচা-বিক্রিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন নৌকা ব্যবসায়ীরা। যদিও প্রতিদিনই এখানে চলে নৌকা বেচা-কেনা। কলাপাড়াতে নৌকা তৈরীর তেমন কারিগর না থাকায় দুর দুরান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা নৌকা কিনে এনে এখানে বিক্রি করছেন। এছাড়া মহিপুরের নিজামপুর, লালুয়া ও ধানখালী ইউনিয়নে ভাঙ্গা বেড়িবাধ দিয়ে পানি প্রবেশ করার ফলে বেশির ভাগ কৃষক ও জেলেরা নৌকা ক্রয় করছেন। তাই প্রতি সপ্তাহের চেয়ে এ সপ্তাহে দামও একটু বেশি। প্রতিটি ডিঙ্গি নৌকা তারা প্রকার ভেদে বিক্রি করছেন ২ হাজার থেকে ৪ হাজার ৫০০টাকা পর্যন্ত। প্রতি সপ্তাহে এখানে প্রায় লাখ টাকার নৌকা বেচা-কেনা হয়।

নৌকা ব্যবসায়ী রহমান মিয়া জানান, পাশের উপজেলা আমতলী থেকে পাঁচটি নৌকা কিনে এনেছি। এখানে বিক্রি করব। আরেক ব্যবসায়ী খালেক মুন্সী জানান, কাঠের দাম ও মিস্ত্রিদের মজুরী বেশি হওয়ায় নৌকার দাম একটু বেশি। তবে গত সপ্তাহের চেয়ে এ সপ্তাহে বেচা-বিক্রি ভাল।

নৌকা বাজারের ইজারাদার গৌতম বাবু জানান, অনেক বেশি টাকা দিয়ে নৌকা বাজার ইজারা নিতে হয়েছে। আগের মত এখন আর নৌকা বেচা-কেনা হয়না। তাই এখন আর পোষায় না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Calendder

January 2020
M T W T F S S
« Dec    
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  

এখানে বিজ্ঞাপন দিন

এখানে বিজ্ঞাপন দিন

%d bloggers like this: